কোন শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড❓
উত্তরে বলব... ইসলামী শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। ✅
শরীয়তে ইসলামে কোন শিক্ষাকে ফরজ বলা হয়েছে❓ উত্তরে বলব... দ্বীনি ইলেম শিক্ষাকে✅
দ্বীনি ইলেম
শিক্ষাকে কে ফরজ করেছেন❓ উত্তরে বলব... স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা। আমরা আরো জানতে পারি হাদীস শরীফ এসেছে, মুহাম্মাদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম বলেন, দ্বীনি এলেম শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ।✅
দ্বীনি এলেম কি ❓
উত্তরে বলব... দ্বীনি এলেম হল, একজন মানুষ মুসলিম হিসেবে দৈনন্দিন চলার পথে, দ্বীন কেন্দ্রিক, যে সমস্ত বিষয়াদি রয়েছে তার উপর পরিপক্ক জ্ঞান রাখা। ✅
দ্বীনি এলেম কোথায় শিক্ষা দেওয়া হয়❓ উত্তরে বলব... দ্বীনি মাদ্রাসায়। (তবে দুনিয়াবী নয়)......... ✅
!!!!প্রশ্ন হতে পারে শুধু কি মাদ্রাসায় দ্বীন শিক্ষা দেয়া হয়❓
আমি বলব অবশ্যই হ্যাঁ।
মাদ্রাসায় পড়ে একটা ছেলে মেয়ে,, সে কোরআন শিখতে পারে, হাদিস শিখতে পারে, মাসলা মাসায়েল শিখতে পারে, হালাল-হারাম শিখতে পারে। সে অনুযায়ী তার জীবন যাপন করতে পারে। তার বাহিরে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে যে শিক্ষাগুলো রয়েছে তাদের মধ্যে শতকরা ৯৫% ছেলে মেয়েরা দ্বীন বিমুখী, কারণ হচ্ছে তাদেরকে দ্বীন সম্পর্কে, কোন ধারণা দেওয়া হয় না। তাদেরকে না কোরআন শিক্ষা দেওয়া হয়! না হাদীস শিক্ষা দেওয়া হয়! না মাসলা-মাসায়েলশিক্ষা দেওয়া হয়! শিক্ষা দেওয়া হয় শুধু দুনিয়া কেন্দ্রিক.... যা, শিখলে অনেক টাকা রোজগার করা যাবে। চাই সেটা হালাল হোক, কিংবা হারাম হোক। তারা হালাল-হারাম বুঝবে কিভাবে? তাদের ছোটবেলা থেকে তো মাথার মধ্যে ভিন্ন কিছু ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কি বলবো লিখলে অনেক কথা লেখা যায়, যে শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আল্লাহকে চেনা যায় না😥 আল্লাহর রাসূলকে চেনা যায় না, হালাল চিনা যায় না, হারাম চেনা যায় না, পর্দার চেনা যায় না, যেনা বেবিচার চেনা যায় না। সেটা শিক্ষা হয় কিভাবে, আমার প্রশ্ন জাগে! আপনি অনেক বড় শিক্ষিত! অনেক বড় ব্যক্তিত্ব আপনার! কিন্তু দুঃখজনক আপনার শিক্ষা আপনাকে মসজিদ পর্যন্ত আনতে পারেনা। আপনার শিক্ষা আপনাকে নামাজ পড়তে মসজিদে আনতে পারে না। রোজা রাখাতে পারে না, পর্দা করাতে পারে না, যেনা ব্যভিচার থেকে দূরে রাখতে পারেনা। সর্বোপরি বলবো এই শিক্ষা শিক্ষার চেয়ে... অশিক্ষিত থাকাই শ্রেয়।
👉দ্বীনি এলেমের আংশিক জ্ঞান চর্চার আরেকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে
((( মক্তব বিভাগ)))
যা প্রায়ই বিলুপ্তি পথে😥 ছোটবেলা দেখতাম সকাল সকাল ছোট ছোট বাচ্চাদেরকে তাদের মা-বাবারা কুরআন শিক্ষার জন্য দলে দলে মক্তবে পাঠিয়ে দিত। তারা-ও খুব আগ্রহের সাথে মক্তবে যেত। এমনকি তারা খুব আগ্রহের সাথে পড়াশুনা করত। তবে বর্তমান স্বচরাচর এই দৃশ্য গুলি আর দেখা যায় না😥 বর্তমান মা-বাবাদের চিন্তাধারা 😔 বাচ্চাদেরকে সকালবেলা মক্তবে কোরআন চর্চার জন্য পাঠানো কে সময় নষ্ট করা বলে মন্তব্য করেন। এটা বড় দুঃখজনক! ‼️আফসোস ‼হয় ‼️এই জাতির জন্য, জাতি আজ কোন দিকে হাঁটছে 😥কোন পথে যাচ্ছে।🤷♂️আজকাল মানুষের আচার-আচরণে বুঝা যায়, (এই কোরআন এই হাদিস এই নামাজ এই রোজা এই পর্দা এই হজ্জ্ব এই যাকাত এই হালাল এই হারাম )আজ এই বিধানগুলির ঠেকা হয়ে গেছে.... উম্মতে মুসলিমার সমিপে😭 তাদের আচরণে বুঝা যায় এই বিধানগুলি তাদের জন্য মঙ্গলময় নয়, অমঙ্গল। তারা সব সময় চেষ্টা করে এই বিধানগুলি থেকে দূরে থাকতে। আর সময় বেশি দিন বাকি নাই, কেয়ামত আমরাই ডেকে নিয়ে আসতেছি। আল্লাহ! আমাদের সহি বুঝ দান করুক, আমিন।
.jpeg)
.jpeg)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন