পৃষ্ঠাসমূহ

শুক্রবার, ৫ আগস্ট, ২০২২

আর নয় হাতাশা ব্যর্থতার পরই আসবে সফলতা

হতাশা মানুষকে সঠিকভাবে বাঁচতে দেয় না।

প্রতিটি মানুষের অনেক স্বপ্ন থাকে। থাকে স্বপ্নপূরণের চেষ্টা। 

কিন্তু দুনিয়াতে কারও সকল স্বপ্নপূরণ হয় না। আর স্বপ্নপূরণ না হলে অথবা কাজের ইচ্ছামতো ফল না পেলে মানসিক অবসাদের সৃষ্টি হয়, এটাই হতাশা।

জয়-পরাজয়, পাওয়া-না পাওয়া, সাফলতা-ব্যর্থতা মানুষের জীবনে আসতেই পারে।

ইসলামের নির্দেশনা হচ্ছে, স্বপ্নপূরণে ব্যর্থ হলে হতাশ হওয়া যাবে না। ব্যর্থতার পরই আসবে সফলতা। যেমনিভাবে রাত পোহালেই আসে দিন। আর ব্যর্থতায় মর্মাহত লোকদের সান্ত্বনা দিয়ে আল্লাহ বলেন, তোমরা হতাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। তোমরাই বিজয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও।

(সূরা আলে ইমরান : ১৩৯)


অনেকে হতাশ হয়ে ভেঙে পড়ে। মনোবল হারিয়ে ফেলে। সামনে চলতে পারেনা। তাদের উচিত ভেঙে না যাওয়া, ধৈর্য ধারণ করা মনোবল না হারিয়ে সামনে হাঁটতে থাকা এবং নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা। কেননা ধৈর্যশীলদের সাথে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রয়েছেন। এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আল্লাহ বলেন, হে ইমানদারগণ, তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন। (সূরা বাকারা : ১৫৩)। আর আল্লাহতায়ালা যাদের সঙ্গে আছেন, তাদেরকে দুঃখ-কষ্ট ঘায়েল করতে পারে না।


রাসূল (সা.) হতাশাগ্রস্ত মানুষকে মানসিক প্রশান্তি লাভের জন্য কয়েকটি আমলের নির্দেশ দিয়েছেন। যা তাদের মনকে সজীব ও সতেজ করবে।


প্রত্যেক ফরজ নামাজের পরে কিছু দোয়া আছে, যে ব্যক্তি ওইগুলো পড়ে আমল করবে, সে কখনও নিরাশ বা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। আমলগুলো তেত্রিশবার তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ) পড়া, তেত্রিশবার তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ) পাঠ করা এবং চৌত্রিশবার তাকবির (আল্লাহু আকবার) পড়া। (সহিহ মুসলিম)


আমাদের উচিত সাময়িক ব্যর্থতা, বাধা-বিপত্তি ও না পাওয়ার বেদনায় হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধারণ করে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ওপর ভরসা করে অন্তত দু রাকাআত নামাজ পড়ে হলোও আল্লাহ তায়ালার কাছে খুব দোয়া কান্নাকাটি করা। 

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে সকল প্রকার হতাশা হতে হেফাজত করেন আমিন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন