পৃষ্ঠাসমূহ

মঙ্গলবার, ২ আগস্ট, ২০২২

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও উদার মুসলিম সমাজ পার্ট১

রাহমাতুল্লিল আলামিন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশনা হলো  একজন নাবালেগ 10 বছরের ছেলে/মেয়ে যার উপর এখনো পর্যন্ত নামাজ পড়া ফরজও হয়নি তাকেও নামাজের জন্য শাসন করো। হ্যাঁ, এ হল কোন অপ্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম ছেলে/মেয়ের ব্যাপারে ইসলামের বিধান। তাহলে প্রাপ্ত বয়স্কদের ব্যাপারে এ বিধান কি কেমন হবে?

ফিকহের কিতাবে আছে- অলসতা অবহেলা বসত কোন মুসলমান যদি নামাজ না পড়ে তাহলে হাম্বলী ও মালিকি ফিকাহ অনুযায়ী তাকে শরিয়া আদালতে হুজ্জত কায়েমের পর মুরতাদ হিসেবে কতল করা হবে এবং তার জানাজা পড়া হবেনা।  এমনকি মুসলমানদের কবরস্থানেও তাকে দাফন করা হবে না।কারণ নবীজী সাঃ এর যুগ সহ ইসলামের সোনালী যুগে তথা সাহাবা তাবেঈদের যুগে কেউ নামাজ ছেড়ে দিলে তাকে মুসলমান মনে করা হতো না এভাবে কেউ যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জানালেও মুসলমান মনে করা হতো না।ফলে তাদের সাথে কাফেরদের মতোই আচরণ করা হতো। এছাড়া বহু প্রমাণিত হাদিসের ভাষ্য যেহেতু এমনই যে,  ইসলাম ও কুফরের মাঝে পার্থক্যকারী আমল হলো, নামাজ। 

আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন আমি লোকেদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাবার জন্য নির্দেশিত হয়েছি, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই ও মুহাম্মাদ সাঃ আল্লাহর রাসূল, আর সালাত প্রতিষ্ঠা করে ও যাকাত আদায় করে। তারা যদি এগুলা করে, তবে আমার পক্ষ হতে তাদের জান ও মালের ব্যাপারে নিরাপত্তা লাভ করলো ; অবশ্য ইসলামের বিধান অনুযায়ী যদি কোন কারণ থাকে, তাহলে স্বতন্ত্র কথা।আর তাদের হিসাবের ভার আল্লাহর উপর অর্পিত।

বিঃদ্রঃ আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময় মতো আদায় করার তৌফিক দান করেন আমিন।

(মুসলিম ১/৮ হাঃ২২)

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন